অর্জুন গাছের ছাল:- আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় বহু প্রাচীন কাল থেকেই অর্জুন গাছের ছালের ব্যবহার হয়ে
আসছে। অনেক কঠিন রোগব্যাধি আটকাতে সক্ষম এই ভেষজ। এমনকী হৃদরোগের ঝুঁকি
কমাতেও অর্জুন গাছের ছাল বেশ কার্যকর।
আমলকী:- আমলকী ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর একটি গুণ। আরও নানা পুষ্টিগুণে পাওয়া যায় এই ফল। এই ফল রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর পাশাপাশি শর্করা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
হলুদ:- প্রতিদিনের রান্নায় হলুদের ব্যবহারেকোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কারণ
হলুদে রয়েছে উপকারী উপাদান কারকিউমিন। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও
অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। এর ফলে
হৃৎপিণ্ডও ভালো থাকে।
গিলয়:- এই ভেষজে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। এর পাশাপাশি লিভারের স্বাস্থ্যও ভালো রাখে।
ধনিয়া:ধ- রান্নাঘরের সুপরিচিত মসলা হল ধনিয়া। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে।
মেথি:- ডায়েটারি ফাইবারে ভরপুর মেথি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে উপকারী। এই বীজের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণ হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।